ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর প্রফেশনাল গাইডলা্ইন পেতে রেজিস্টার করুনঃ https://bestitcenter.com/digital-marketing-free-guideline/

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে  অনলাইন মার্কেটপ্লেস আপনি একজন অনলাইন মার্কেটার হিসাবে কিভাবে অনলাইন মার্কেটিং এর পাশাপাশি আপনার এই দক্ষতাকে কাজে  লাগিয়ে ফাইবারের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। উদাহরনসরুপ, আপনি সিপিএ মার্কেটিং শিখলেন অথবা এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখলেন বা এই ধরনের যেকোনো ধরনের মার্কেটিং সম্বন্ধে আপনার খুব ভালো ধারণা আছে এক্ষেত্রে আপনি মার্কেটিং করার পাশাপাশি ফাইবার এর মাধ্যমে অন্যের কাজ করে এক্সট্রা ইনকাম করতে পারেন যাকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং করা। ফ্রিল্যান্সিং শব্দটা শুনলেই আমাদের মাথায় সর্বপ্রথম যে কথাটি আসে তা হল আমাদের গ্রাফিক ডিজাইন অথবা ওয়েব ডিজাইন জানতে হবে। বাস্তবিক অর্থে আমরা মার্কেটিং এর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েও ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতে পারি। এবার চলুন দেখে নেই অনলাইন মার্কেটিং এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে আমরা উপার্জন করতে পারি। মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে আমাদের নিম্মোক্ত বিষয়ে সঠিক ধারনা থাকা প্রয়োজনঃ-

ফাইবার কিঃ

ফাইবার হচ্ছে একটি বিশ্বের জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়ার্ক প্লেস যেখানে ছোট বড় সব ধরনের উদ্যোক্তা তাদের কাজগুলো অন্যের মাধ্যমে করে করিয়ে নেয় বা যারা কাজ পারে তারা অন্যের কাজ করে নিজের উপার্জন বৃদ্ধি করে। নির্দিষ্ট পরিমাণ পারিশ্রমিকের বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে দিতে পারেন বা আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের কাজ অন্যের মাধ্যমে করিয়ে নিতে পারেন ফাইবার থেকে। নিয়মিত টিপস এবং গাইডলাইন পেতে এখনই রেজিস্টার করুন।

ফাইবার একাউন্ট তৈরিঃ

ফাইবারের মাধ্যমে কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই আপনাকে ফাইবারে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। অ্যাকাউন্ট তৈরি সম্বন্ধে সবাই কম বেশি জানি কারণ আমরা বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট অনলাইনে তৈরি করে থাকি  যেমন:  ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ,ইমেইল একাউন্ট ইত্যাদি। আশা করি ফাইবার একাউন্ট আপনারা সবাই  খুব সহজেই তৈরি করতে পারবেন।

২।গিগস তৈরি করা এবং প্রমোশনঃ

আপনার ফাইবার একাউন্ট তৈরি করার পর যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে গিগ তৈরি করা। এখন আপনার মনে হতে পারে গিগ কি? গিগ হচ্ছে আপনি যে সকল কাজ খুব ভালো জানেন এবং আপনার খুব ভালো ধারনা আছে সেই কাজগুলো কাস্টমারের নিকট তুলে ধরা। গিগস এর মাধ্যমে আপনি আপনার দক্ষতার সম্পূর্ণ বিবরণ দিবেন যা দেখে কাস্টমার তার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনাকে অর্ডার দেবে।  আপনাকে অবশ্যই আপনার গিগস বা আপনার দক্ষতা গুলো ঠিকমতো প্রমোশন করতে হবে যাতে কাস্টমার তা দেখে আকৃষ্ট হয় এবং আপনার উপর নির্ভর করে তার অর্ডারটি দিতে ইচ্ছুক হয়।

৩।অর্ডার গ্রহন

আপনি ফাইবার একাউন্ট তৈরি করলেন এবং আপনার দক্ষতা অনুযায়ী গিগস তৈরি করলেন এখন কাস্টমার আপনাকে অর্ডার দিল। অর্ডার গ্রহন করার পর আপনাকে পরবর্তী ধাপে কাস্টমার এর কাজ গুলো খুব সুন্দর ভাবে করে তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এতে আপনার রিভিউটা খুব ভালো আসবে। ভাল রিভিউ অর্জন করা খুবই গুরুপ্তপূর্ন কারন রিভিউ যত বেশী এবং ভাল হবে আপনার প্রোফাইল তত বেশী ভারী হবে এবং ক্লাইন্ট এর নিকট থেকে কাজ পাবার সম্ভবনা অনেক বেশী থাকবে।

ফাইবারের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি আপনার অনলাইন মার্কেটিংয়ের দক্ষতা কে কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। আপনার যত ধরনের দক্ষতা আছে চেষ্টা করবেন সব ধরনের দক্ষতা কে সুন্দর ভাবে ক্লাইন্ট এর নিকট উপস্থাপন করতে। কারণ আপনার যত বেশি প্ল্যাটফর্মের ওপর দক্ষতা থাকবে আপনার অর্ডার পাবার সম্ভবনা তত  বেশি হবে। একটা কাজের  উপর সীমাবদ্ধ  না থেকে চেষ্টা করুন  আপনার  দক্ষতাকে  বিভিন্ন  দিকে  ছড়িয়ে  বিভিন্নভাবে  উপার্জনের  ব্যবস্থা করার। অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন প্লাটফর্মে আপনার দক্ষতা উপস্থাপন করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন। অনলা্নইন মার্কেটিংয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে এখনই রেজিস্টার করুন। অনলাইনে মার্কেটিং এর কিছু গুরুপ্তপূর্ন মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

১। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমঃ

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে প্রমোশন এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ফাইবারে কাজ করতে পারেন। যেমন ফেসবুক মার্কেটিং, লিঙ্কডিন মার্কেটিং বা টুইটার  মার্কেটিং এর মাধ্যমে অথবা ফেসবুকের পেইজ তৈরি করে দিয়ে অথবা লিঙ্কডিং বা টুয়েটার একাউন্ট তৈরি করে দিয়েও আপনি কাজ করতে পারেন।

২। ভিডিও মার্কেটিং

ভিডিও মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারেন। যেমন কারও কোন ভিডিও আছে যেটি সে প্রমোট করতে চাচ্ছে। সেই ভিডিও টা আপনি ইউটিউব, ফেসবুক বা টুইটারের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমেগুলোতে  প্রমোশন করে দিয়েও  টাকা আয়  করতে পারেন।ভিডিয় মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন
https://bestitcenter.com/video-making-and-promotion/

৩। ইমেইল মার্কেটিং ও টেমপ্লেট ডিজাইনঃ

ইমেইল মার্কেটিং এ আপনি লিস্ট বিল্ড আপ করে আয় করতে পারেন অথবা কেউ যদি ক্যাম্পেইন্  সেট করতে চায় তার ক্যাম্পেইনটি সেট করে দেয়ার মাধ্যমে আপনি কাজ করে যেতে পারেন। ইমেইল মার্কেটিং করতে গেলে অবশ্যই টেমপ্লেট ডিজাইন করতে হয় এক্ষেত্রে আপনি অন্য কারো টেমপ্লেট ডিজাইন করে দেয়ার মাধ্যমেও কাজ করতে পারেন।

৪। সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং

সার্চ ইঞ্জিন বলতে আমরা মূলত বুঝি গুগল ইয়াহু অথবা বিং সাইডগুলোকে বুঝি। সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ক্যাম্পেইন সেটাপ করে দেওয়ার বা মার্কেটিং এর মাধ্যমেও আপনি প্রচুর পরিমান ইনকাম করতে পারেন। কারণ ক্যাম্পেইন সেটাপ এর কাজগুলো সবাই পারেনা এক্ষেত্রে যারা পারেনা তাদের কাজগুলো করে দিয়ে আপনি আপনার উপার্জন বাড়িয়ে নিতে পারেন।

উপরিউক্ত পদ্ধতিতে আপনি খুব সহজেই অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইবার থেকে আপনার মার্কেটিং দক্ষতা প্রয়োগ করে খুব সহজেই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করে আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই অনলাইন মার্কেটিং এ দক্ষ হতে হবে। আপনার মার্কেটিং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে বা স্কিল ডেভেলপমেন্ট করার জন্য আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং গাইডলাইন গাইডলাইনে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এখানে অনলাইন মার্কেটিং এর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত শিক্ষনীয় ভিডিও দেওয়া হবে পাশাপাশি আপনাদের যেকোনো ধরনের সমস্যা থাকলে আপনারা প্রতিদিন সন্ধ্যা 6 টার মধ্যে কমেন্ট করে জানাবেন এবং রাত বারোটার মধ্যে আপনাদের সলিউশন ভিডিও প্রদান করা হবে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 01837080878  অথবা 01742349489 এই নম্বরে।

ডিজিটাল মার্কেটিং গাইডলাইনে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্টার করুনঃ https://bestitcenter.com/digital-marketing-free-guideline/

ওয়েবসাইটঃ bestitcenter.com

ইউটিউব চ্যানেলঃ youtube.com/riadkhan

ফেইসবুক পেইজঃ .facebook.com/bestitcenter

LEAVE A REPLY

one + 3 =